মেধাবী
Toggle menu

যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বোঝায় তাকে কোন সমাস বলে?

সঠিক উত্তর
বহুব্রীহি সমাস

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

<html lang="bn"> <head> <meta charset="UTF-8"> <title>সমাসের ধরন নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা</title> </head> <body> <h1>সমাসের ধরন নিয়ে বিশ্লেষণ</h1> <h2>প্রশ্ন</h2>

যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বোঝায় তাকে কোন সমাস বলে?

<h2>উত্তর নির্বাচন</h2>
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. দ্বিগু সমাস
  4. কর্মধারয় সমাস
<h2>সঠিক উত্তর</h2>

সঠিক উত্তর: বহুব্রীহি সমাস

<h2>বিশ্লেষণ</h2>

‘বহুব্রীহি সমাস’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত। এই ধরনের সমাসের বিশেষত্ব হলো, এখানে পূর্বপদ এবং পরপদ উভয়ের অর্থ একত্র হলে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায় যা নিজস্ব অর্থকে নির্ধারণ করে না বরং তাকে জনিত বস্তুকে বোঝায়। অর্থাৎ, বহুব্রীহি সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য হ'ল সমস্ত-কারকের মাধ্যমে বাক্যাংশ তৈরী করে নতুন অর্থ প্রকাশ করা।

উদাহরণ:

  • শশাঙ্কখন্ড (শশাঙ্ক + খন্ড) → চাঁদের টুকরো
  • গৌরচন্দ্রিকা (গৌর + চন্দ্রিকা) → সুন্দরী মেয়ে

এই উদাহরণগুলিতেই দেখা যাচ্ছে যে পূর্বপদ এবং পরপদ একত্র হলেও নতুন কোনোকিছু নির্দেশ করছে যা পূর্ব এবং পরপদ সরাসরি বোঝায় না।

<h3>অন্য সমাস ব্যাখ্যা:</h3>

তৎপুরুষ সমাস: তৎপুরুষ সমাসে, প্রধানত দুটি পদ একত্রে ব্যবহার করে একটি পদ সৃষ্টি করা হয় যেখানে প্রথম পদটি দ্বিতীয় পদকে বিশেষণ দেয়। যেমন: ‘অন্নপূর্ণা (অন্ন + পূর্ণা) → অন্নে পূর্ণা।’

দ্বিগু সমাস: দ্বিগু সমাসে সংখ্যাবাচক পদ ব্যবহৃত হয়, যেমন: ‘ষড়্দেশা (ষড়্ + দিশা) → ছয়টি দিক।’

কর্মধারয় সমাস: কর্মধারয় সমাসে একটি বিশেষ্য পদ এবং একটি বিশেষণ পদ একত্রিত হয়, যেমন: ‘বড়লোক (বড় + লোক) → ধনবান ব্যক্তি।’

এই কারণেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর ‘বহুব্রীহি সমাস’।

</body> </html>

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

বহুব্রীহি সমাস সঠিক
তৎপুরুষ সমাস
দ্বিগু সমাস
কর্মধারয় সমাস

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
বাংলা ব্যাকরণ
শ্রেণী
চাকুরী প্রস্তুতি - ৯ থেকে ২০তম গ্রেড - পেট্রোবাংলা
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড