মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন কে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌাধুরী।
- ১৯৬৯ সালের ২ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম উপাচার্য নিযুক্ত হন। তবে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগ করে বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের দূত হিসেবে কাজ করেন।
অন্যদিকে,
- ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন।
- ড. মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী ১৯৭২-৭৩ সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩তম উপাচার্য ছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার পি. জে. হার্টগ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম/উপমহাদেশীয়/বাঙালি উপাচার্য ছিলেন স্যার এ এফ রহমান।
- বিচারপতি এস এ রহমান আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বিচারের জন্যে গঠিত ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট)
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন