মেধাবী
Toggle menu

শাপলার হাটে তরমুজ বেচি দু পয়সা করি দেড়ী,পুঁতির মালার একছড়া নিতে কখনও হত না দেরি।- পঙক্তিদ্বয় কোন কবিতার অন্তর্ভুক্ত?

সঠিক উত্তর
কবর

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

কবর
– জসীম উদ্‌দীন
এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা!
সোনালি ঊষার সোনামুখ তার আমার নয়নে ভরি
লাঙল লইয়া খেতে ছুটিলাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি।
যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত
এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে তামাশা করিত শত।
এমনি করিয়া জানি না কখন জীবনের সাথে মিশে
ছোট-খাট তার হাসি ব্যথা মাঝে হারা হয়ে গেনু দিশে।

বাপের বাড়িতে যাইবার কাল কহিত ধরিয়া পা
আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ।
শাপলার হাটে তরমুজ বেচি দু পয়সা করি দেড়ী,
পুঁতির মালার একছড়া নিতে কখনও হত না দেরি।
দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন লইয়া গাঁটে,
সন্ধাবেলায় ছুটে যাইতাম শ্বশুরবাড়ির বাটে!


• পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচিত 'কবর' কবিতাটি 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- কবি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ - রাখালী।
- প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে। 

এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতাসমূহ হলো-
- রাখাল ছেলে,
- পল্লিজননী প্রভৃতি।

পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- বালুচর,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- রূপবতী,
- মাটির কান্না,
- সুচয়নী,
- মা যে জননী কান্দে।

উৎস: ‘কবর’ কবিতা এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

কবর সঠিক
রূপাই
পল্লিজননী
আসমানী

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
বাংলা
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড