বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে ক’টি খাতে ভাগ করা হয়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ১৫
বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে ক’টি খাতে ভাগ করা হয়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ১৫
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতেকে বৃহৎ তিনটি খাত - কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে বিভক্ত করা হয়। এ ৩টি বৃহৎ খাত সার্বিকভাবে ১৫ টি খাতে বিভক্ত। সেগুলো হলো : কৃষি খাত: ১. কৃষি ও বনজ (ক. শস্য ও শাকসবজি , খ. প্রাণিসম্পদ ও গ. বনজসম্পদ) ২. মৎস্যসম্পদ । শিল্প খাত: ৩. খনিজ ও খনন (ক. প্রাকৃতিক গ্যাস ও অপরিশোধিত তৈল ও খ. অন্যান্য খনিজ সম্পদ ও খনন ) , ৪. শিল্প (ক. বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প ও খ. ক্ষুদ্রায়তন শিল্প), ৫. বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসম্পদ (ক. বিদ্যুৎ খ. গ্যাস ও গ. পানি ) ৬. নির্মাণ। সেবা খাত: ৭. পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য ৮. হোটেল ও রেস্তোরাঁ ৯. পরিবহন ,সংরক্ষণ ও যোগাযোগ (ক. স্থুলপথ পরিবহন , খ. পানিপথ পরিবহন, গ. আকাশপথ পরিবহন ঘ. সহযোগী পরিবহন সেবা ও প্রতিষ্ঠানিক সেবা (ক. ব্যাংক খ. বীমা ও গ. অন্যান্য), ১১. রিয়েল এস্টেট, ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসা, ১২. লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা ১৩. শিক্ষা ১৪. স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা এবং ১৫. কমিউনিটি ,সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন