দ্রবণ: - কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় দুই বা ততোধিক কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যার প্রতিটি উপাদানের আপেক্ষিক পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত পরিবর্তিত করা যায়, তাকে দ্রবণ বলা হয়। - দ্রবণের সাধারণত দুইটি অংশ থাকে। একটি হলো দ্রাবক আর অপরটি হলো দ্রব। অর্থাৎ, দ্রবণ= দ্রাবক + দ্রব। - দ্রবণের প্রতিটি অংশের গঠন, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম অভিন্ন হয়। - দ্রবণের মধ্যে যে উপাদান কম পরিমাণে থাকে অর্থাৎ যা দ্রবীভূত হয়, তাকে দ্রব বলা হয়। - দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানের পরিমাণ বেশি এবং যার মধ্যে দ্রব যোগ করা হয়, তাকে দ্রাবক বলা হয়। - দ্রব ও দ্রাবকের ভৌত অবস্থার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন প্রকারের দ্রবণ হয়। যথা: দ্রাবক ⇒ দ্রব ⇒ উদাহরণ • গ্যাস ⇒ গ্যাস ⇒ বায়ু: সাধারণভাবে 78% N2 ও 21% O2। অধিক পরিমাণে N2 এর মধ্যে কম পরিমাণে O2 এর মিশ্রণ। • তরল ⇒ গ্যাস ⇒ সোডা ওয়াটার: পানিতে উচ্চ চাপে CO2 কেন্দ্রীভূত করা হয়। • তরল ⇒ তরল ⇒ পানি-অ্যালকোহলের দ্রবণ: পানিতে কিছু পরিমাণ অ্যালকোহল দ্রবীভূত করা হয়। • কঠিন ⇒ কঠিন ⇒ ধাতু সংকর: কপার ও জিংকের সমসত্ত্ব মিশ্রণ। • কঠিন ⇒ তরল ⇒ পারদ সংকর বা জিংক অ্যামালগাম। • কঠিন ⇒ গ্যাস ⇒ কঠিন প্যালাডিয়াম ধাতু দ্বারা H2 গ্যাস শোষিত হয়। • গ্যাস ⇒ তরল ⇒ মেঘ: বায়ুতে জলীয় বাষ্প।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।