কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন: - সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মানবসম্পদের উন্নয়নে শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। - দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ছয় মাসের মধ্যে স্বাধীন দেশের উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। - এই লক্ষ্যে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়।
এছাড়াও, - শিক্ষা ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে ৯০০ কলেজ ভবন ও ৪০০ হাইস্কুল পুননির্মাণ করা হয়। - প্রথমবারের মতো সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করা হয়। - মুক্তিযুদ্ধের সময় শিক্ষকদের পাওনা ৯ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়। - সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে স্বায়ত্তশাসন প্রদানের জন্য জাতীয় সংসদে ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করেন।
অন্যদিকে, - মওলানা আকরম খাঁ শিক্ষা কমিশন ১৯৪৯ সালে গঠন করা হয়। - আতাউর রহমান খান শিক্ষা কমিশন ১৯৫৭ সালে গঠন করা হয়। - জাতীয় শিক্ষা বিষয়ক কমিশন ১৯৫৮ সালে গঠন করা হয়।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া। ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।