একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষের গঠন: - ব্যাকটেরিয়ার গঠন বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে।
- একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে সাধারণত যে সকল অংশগুলো থাকে তা হলো -
(ক) ফ্ল্যাজেলা,
(খ) ক্যাপসিউল,
(গ) কোষ প্রাচীর,
(ঘ) প্লাজমামেমব্রেন,
(ঙ) মেসোসোম,
(চ) সাইটোপ্লাজম,
(ছ) ক্রোমোসোম এবং
(জ) প্লাজমিড।
ফ্ল্যাজেলা: - ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে।
- ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্ল্যাজেলা গঠিত।
- ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে।
- ফ্ল্যাজেলা অপেক্ষা খাটো ও শক্ত উপাঙ্গকে পিলি বলে।
- পিলি পিলিন নামক এক প্রকার প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
-
ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে।
ক্যাপসিউল: - ক্যাপসিউল পলিস্যাকারাইড বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি স্তর, যা ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের দিকে থাকে।
- এটি কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে।
- একে স্লাইম স্তরও বলা হয়।
- এটি ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে।
সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন: - কোষ প্রাচীরের ঠিক নিচে সাইটোপ্লাজমকে ঘিরে সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন অবস্থান করে।
- এটি একটি সজীব ঝিল্লী।
- সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন প্রোটিন ও লিপিড দিয়ে গঠিত।
- এর সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন অনেক মেটাবোলিক কাজ করে।
মেসোসোম: - ব্যাকটেরিয়া কোষের সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন অনেক সময় ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়। একে মেসোসোম বলা হয়।
- এটি কোষ বিভাজনে সহায়তা করে।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।