• ভাববাচ্য: - যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যের ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
• ভাববাচ্যের বৈশিষ্ঠ্য: - ভাববাচ্যে ক্রিয়া সর্বদা নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয় বিভক্তি প্রযুক্ত হয়। যেমন - আমার খাওয়া হলো না। (কর্তায় ষষ্ঠী)
- কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়। যেমন - এ পথে চলা যায় না; এবার ট্রেনে ওঠা যাক। তেমনিভাবে, কোথা থেকে আসা হচ্ছে?
- মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়। যেমন - এ রাস্তা আমার চেনা নেই। ---------------------- অন্য অপশনে, 'ছাত্ররা অঙ্ক করছে।'- কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ। 'হালাকু খাঁ কর্তৃক বাগদাদ বিধ্বস্ত হয়।'- কর্মবাচ্যের উদাহরণ। 'তুমিই ঢাকা যাবে।'- কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।