এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• সঠিক উত্তর হলো: ক) বৈদ্যুতিকভাবে মুছে পুনরায় প্রোগ্রাম করা সম্ভব।
EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory) একটি নন-ভলাটাইল মেমরি, যার অর্থ পাওয়ার বন্ধ হলেও এতে থাকা তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা যাতে ব্যবহারকারী বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে ডেটা মুছে নতুন ডেটা লিখতে পারে, তাই এটি পুনরায় প্রোগ্রামযোগ্য। অন্য অপশন গুলো ভুল কারণ, খ) পাওয়ার বন্ধে তথ্য হারায়—এটি কেবল ভলাটাইল মেমরির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। গ) একবার প্রোগ্রাম করা যায়, কিন্তু পরে আর কিছু করা যায় না—এটি শুধুমাত্র সাধারণ PROM-এর বৈশিষ্ট্য। ঘ) ভলাটাইল মেমরি—EEPROM ভলাটাইল নয়।
• ইইপিরম (EEPROM):
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো Electrically Erasable Programmable Read Only Memory.
- EPROM-এর অসুবিধা হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে বেশি সময়, অর্থাৎ প্রায় আধা-ঘন্টা সময় লাগে এবং আংশিকভাবে কোনো তথ্য মোছা যায় না। এ ধরনের অসুবিধা দূর করার জন্যই মূলত EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমের আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মোছা যায়। তবে তথ্য মুছতে EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না বরং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- অবশ্য সংরক্ষিত তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রেফারেন্স মাত্র
অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন
বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড