বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল -
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ২০২১ - ২০৪১
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ২০২১ - ২০৪১
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
পরিকল্পনা কমিশন প্রণীত দেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০ বছর মেয়াদী। এটির মেয়াদকাল ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত।
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার লক্ষ্য -
- ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
- উক্ত সময়ে গড় প্রবৃদ্ধি হার হবে ৯.৯ শতাংশ।
- ২০৪১ সাল নাগাদ চরম দারিদ্র্য হার ০.৬৮ শতাংশে এবং উচ্চ দারিদ্র্য হার ৩ শতাংশের নিচে নামিয়ে লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ২০১১ - ২০২১ পর্যন্ত; অর্থ্যাৎ ১০ বছর।
সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট ও দৈনিক পত্রিকা।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন