মূল বিষয়বস্তুতে যান

পাকিস্তানের তৌহিদী জনতার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান' হিসেবে পরিচিত কোনটি?

সঠিক উত্তর

পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ

সঠিক উত্তর: পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ

এবার দেখা যাক এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে পারেন কিনা।

ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।

বাংলাদেশ বিষয়াবলি ১ নম্বর

কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?

বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১০ মার্কের MCQ কুইজ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

পাকিস্তানের তৌহিদী জনতার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান' হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ:
- শুরু থেকেই ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিল 'পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ'।
- ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১ সেপ্টেম্বর এটি গঠিত হয়েছিল।
- সংগঠনের পরিচয় দেয়া হয়েছিল 'পাকিস্তানের তৌহিদী জনতার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান' হিসেবে।
- রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্বে সংগঠনটির ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি।
- তমুদ্দুন মজলিশ পুস্তিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দেয় পূর্ববাংলার শিক্ষার বাহন, আইন আদালত ও অফিসের ভাষা বাংলা করতে হবে।

বাংলা ভাষা সংস্কার কমিটি:
- প্রাদেশিক সরকার ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে বাংলা ভাষা সংস্কারের জন্য একটি ভাষা কমিটি গঠন করে।
- এর সভাপতি ছিলেন মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ এবং সেক্রেটারি ছিলেন কবি গোলাম মোস্তফা।
- দেড় বছর ব্যাপক আলাপ আলোচনার পর কমিটি সরকারের কাছে রিপোর্ট পেশ করে।
- রিপোর্টে বাংলা ভাষা, ব্যাকরণ ও বর্ণমালার প্রচুর সংস্কারের পরামর্শ দেয়া হয়।
- নতুন ভাষার নামকরণ হয় 'সহজ বাংলা'। 

সংস্কৃতি সংসদ:
- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'সংস্কৃতি সংসদ' নামে আরেকটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি হয়।
- এই সংগঠনটি ক্রমে পূর্ববাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল।

পাকিস্তান সাহিত্য সংসদ:
- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের শেষদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয় 'পাকিস্তান সাহিত্য সংসদ'।
- সংসদের নিয়মিত পাক্ষিক সাহিত্য সভা বসত।
- এ সমস্ত সংগঠনের তৎপরতার মধ্য দিয়ে ভাষা প্রশ্নের গুরুত্ব মানুষের কাছে স্পষ্ট হতে থাকে।
- তারা বুঝতে পারে রাষ্ট্রভাষা বাংলা না হলে পূর্ববাংলায় সব ধরনের উন্নতি থেমে যাবে।

উল্লেখ্য,
- এভাবে ভাষা আন্দোলনের একটি সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়ে যায়।
- যার শক্তির উপর দাঁড়িয়ে রূপ লাভ করে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন এবং চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের ২১ ফেব্রুয়ারিতে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

  1. বাংলা ভাষা সংস্কার কমিটি
  2. পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ সঠিক
  3. সংস্কৃতি সংসদ
  4. পাকিস্তান সাহিত্য সংসদ

প্রশ্ন তথ্য

শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন

  1. 1

    কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?

  2. 2

    কেন্তমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?

  3. 3

    দৌলত উজির বাহরাম খান সাহিত্য সৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন?

  4. 4

    চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান কোথায়?

  5. 5

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

মেধাবী অ্যাপ

৪.৯ · বিনামূল্যে
ইনস্টল