১৯৬৫ সালের নির্বাচন: - ১৯৬২ সালের ৮ জুন সামরিক আইন স্থগিত করে দলীয় রাজনীতির অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হয়। - ১৯৬৪ সালে আইয়ুব খান যথাক্রমে প্রেসিডেন্ট, জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের ঘোষণা দেন। - ১৯৬৪ সালের শুরুতে আওয়ামী লীগ এনডিএফ থেকে বেরিয়ে আসে। - ১৯৬৫ সালের ২ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে একক প্রার্থী দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কাউন্সিল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম প্রভৃতি দল মিলে ‘সম্মিলিত বিরোধী দল' (Combined Opposition Party) নামে একটি জোট গঠন করে।
- Combined Opposition Party গঠিত হয় - ১৯৬৪ সালের ২৬ জুলাই। - 'সম্মিলিত বিরোধী জোট' (Combined Opposition Party-COP) -এর শরিক দলগুলো হলো - ১. পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, ২. ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী), ৩. পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাউন্সিল), ৪. নেজাম-ই-ইসলাম, ৫. জামায়াতে ইসলামী। - প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে COP-এর প্রার্থী হিসেবে ফাতেমা জিন্নাহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। - মৌলিক গণতন্ত্রীদের নিরঙ্কুশ সমর্থনে আইয়ুব খান ফাতেমা জিন্নাহকে সহজেই পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মত প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। - অবৈধ প্রভাব ও প্রশাসনিক যন্ত্রকে ব্যবহার করেই আইয়ুব খান মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় পরিষদ এবং মে মাসে অনুষ্ঠিত প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করেন। - ফলে ১৯৬৫ সালের নির্বাচন পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নয়নে কোন ভূমিকা রাখতে পারেনি ।
উৎস: বিবিএ বাংলা প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পাকিস্তানের সরকারি ওয়েবসাইট।