- ভিটামিন C (অ্যাসকরবিক এসিড) টাটকা শাক-সবজি এবং টাটকা ফলে ভিটামিন C পাওয়া যায়। - শাক-সবজির মধ্যে মুলাশাক, লেটুস পাতা, ধনে পাতা, পুদিনা পাতা, কাঁচা মরিচ, ফুলকপি, করলা ইত্যাদিতে ভিটামিন C আছে। - ফলের মধ্যে আমলকী, লেবু, কমলালেবু, টমেটো, আনারস, পেয়ারা ইত্যাদি ভিটামিন C এর উৎস। - শুকনো ফল ও বীজে এবং টিনজাত খাদ্যে এই ভিটামিন থাকে না।
ভিটামিন C শরীরে যেসব কাজ করে সেগুলো হলো: - ত্বক, হাড়, দাঁত ইত্যাদির কোষসমূহকে পরস্পরের সাথে জোড়া লাগিয়ে মজবুত গাঁথুনি তৈরি করে। - শরীরের ক্ষত পুনর্গঠনের কাজে সাহায্য করে। - দাঁত ও মাড়ি শক্ত রাখে। - স্নেহ, আমিষ ও অ্যামাইনো এসিডের বিপাকীয় কাজে ভিটামিন C গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। - ত্বক মসৃণ এবং উজ্জ্বল রাখে। - রোগ প্রতিরোধ করে।
ভিটামিন C এর অভাবজনিত রোগ - ভিটামিন C এর তীব্র অভাবে স্কার্ভি (দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া) রোগ হয়। - অস্থির গঠন শক্ত ও মজবুত হতে পারে না। - ত্বকে ঘা হয়, ক্ষত শুকাতে দেরি হয়। - দাঁতের মাড়ি ফুলে দাঁতের ইনামেল উঠে যায়। দাঁত দুর্বল হয়ে অকালে ঝরে পড়ে। - রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কমে গিয়ে সহজে ঠাণ্ডা লাগে।
বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন B কমপ্লেক্স - থায়ামিন (B1) - দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় - রাইবোফ্ল্যাভিন (B2) - এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়। - নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড (B3) - অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়। - পিরিডক্সিন (B6) - এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দেয়।। - কোবালামিন বা সায়ানোকোবালামিন (B12) - এর অভাবে রক্তশূন্যতা রোগ দেখা দেয়।