- গোবর ও অন্যান্য পঁচনশীল পদার্থ বাতাসের অনুপস্থিতিতে (অবায়বীয় অবস্থায়) পঁচানোর ফলে যে বর্ণহীন জ্বালানি গ্যাস তৈরী হয়, তাকে বায়োগ্যাস বলে। - বায়োগ্যাসে শতকরা ৬০-৭০ ভাগ মিথেন থাকে, তাই একে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। - মিথেন ছাড়া বায়োগ্যাসে থাকে মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2)। - সাধারণত অবায়বীয় ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতায় গোবর ও অন্যান্য আবর্জনা পঁচে বায়োগ্যাস সৃষ্টি হয়। - এ গ্যাস উৎপাদনের পর অবশিষ্ট অংশ উন্নত মানের সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বায়োগ্যাসের ব্যবহার- ১. এ গ্যাস দিয়ে রান্না-বান্না করা যায়। ২. ম্যান্টল জ্বেলে হ্যাজাক লাইটের মত আলো পাওয়া যায় । ৩. জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে লাইট, ফ্যান, রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি চালানো যায় এবং বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালানো যায় । ৪. পাম্পের সাহায্যে জমিতে পানি সেচ করা যায়। ৫. এ গ্যাস দিয়ে গাড়ি চালানো যায়। ৬. এ গ্যাস দিয়ে ফ্রিজ ও ইনকিউবেটর চালানো যায় ।
বায়োগ্যাস তৈরির সময় রেসিডিউ (অবশিষ্টাংশ) নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে ১ . উন্নতমানের জৈব সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার করা যায়। ২. মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায় ৷ ৩. মাশরুম চাষ করা যায়। ৪. মুক্তা চাষে ব্যবহার করা যায়।
সূত্র: ৩৯৫ পৃষ্ঠা, উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।