পরিবাহী: পরিবাহী পদার্থে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে আংশিক
উপরিপাত (overlapping) হয়। আসলে এ দুই ব্যান্ডের মধ্যে ভৌত পার্থক্য নির্ধারণ করা কঠিন। সুতরাং পরিবাহী পদার্থে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগ করা মাত্র মুক্ত ইলেকট্রনের প্রবাহ ঘটে এবং বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
অন্তরক: অন্তরক পদার্থে যোজন ব্যান্ড সম্পূর্ণ পূর্ণ থাকে এবং পরিবহন ব্যান্ড সম্পূর্ণ খালি থাকে এবং এ দুই ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য অনেক বেশি থাকে (সাধারণত: 10ev এর বেশি)। পরিবহন ব্যান্ডে ইলেকট্রন না থাকায় বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগ করলে বিদ্যুৎ প্রবাহ ঘটে না। যোজন ব্যান্ড থেকে পরিবহন ব্যান্ডে কোন ইলেকট্রন নিতে হলে যথেষ্ট শক্তি প্রয়োজন হয়। তাপমাত্রা অনেক বাড়ালে কিছু কিছু ইলেকট্রন যথেষ্ট শক্তিপ্রাপ্ত হয়ে পরিবহন ব্যান্ডে যেতে পারে এবং ঐ • ইলেকট্রনগুলো বিদ্যুৎ প্রবাহে অংশ নিতে পারে।
অর্ধপরিবাহী: অর্ধপরিবাহী পদার্থের যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য অন্তরকের তুলনায় অনেক কম থাকে।
যেমন সিলিকনের ক্ষেত্রে এর মান 1.1 ev এবং জার্মেনিয়াম কেলাসের জন্য 0.7ev।
পরম শূন্য তাপমাত্রায় পরিবহন ব্যান্ড সম্পূর্ণ খালি এবং যোজন ব্যান্ড সম্পূর্ণ পূর্ণ থাকে, তাই এ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহী আদর্শ অন্তরক হয়। কম তামপত্রায় পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ এবং যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে।
তাপমাত্রা বাড়ালে যোজন ব্যান্ড থেকে অধিক পরিমাণ ইলেকট্রন শক্তি সঞ্চয় করে পরিবহন ব্যান্ডে প্রবেশ করে এবং বিদ্যুৎ প্রবাহে অংশগ্রহণ করে।
তাই তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।