বাংলাদেশে টাকা-রুপি কার্ড: - সাম্প্রতিক ডলার সংকটের কারণে ডলারের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবার সরাসরি রুপি ব্যবহার করে আমদানি-রফতানির মূল্য লেনদেনের কথা জানিয়েছে। - ১১ জুলাই, ২০২৩ থেকে ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে রুপির ব্যবহার শুরু করেছে বাংলাদেশ। - যা ব্যবসার খরচ কমাবে। - বাড়াবে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা। - ঢাকায় দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। - একটি পাইলট কর্মসূচি হিসেবে এই লেনদেন চালু হচ্ছে। - আপাতত শুধুমাত্র রূপিতে লেনদেন হবে, পর্যায়ক্রমে টাকায়ও লেনদেন চালু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। - এখন বাংলাদেশের কোনও ব্যবসায়ী ভারতের সাথে আমদানি বা রফতানির ক্ষেত্রে রুপিতে এলসি খুলতে চাইলে তা করতে পারবেন। - এতদিন বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের পুরোটাই হতো মার্কিন ডলারে। - প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ও বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) ব্যাংক এবং ভারতের স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (এসবিআই) ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্রেডিট অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব ইন্ডিয়া (আইসিআইসিআই) ব্যাংক রুপিতে বাণিজ্য লেনদেনের নিষ্পত্তিতে অংশ নিচ্ছে। - বাংলাদেশী ব্যাংকগুলো ভারতের দুই ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলেছে। - টাকা-রুপির বিনিময় মূল্য নির্ধারিত হবে, ডলারের বিপরীতে দুই মুদ্রার দর বিবেচনায় নিয়ে। - ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ‘টাকা-রুপি’ ডুয়েল কারেন্সি কার্ড চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার।