মেধাবী
Toggle menu

৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু পরবর্তী আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য কতদফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন?

সঠিক উত্তর
১০ দফা

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ

- ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙ্গালির ইতিহাসের এক মহেন্দ্রক্ষণ। সকাল থেকেই ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ছাত্র-জনতা-অবাল-বৃদ্ধ-বণিতা-দলে দলে সমবেত হতে থাকে।
- বিকাল ৩ঃ২০ মিনিট নাগাদ প্রায় ১০ লাখ জনতা ময়দানে সমবেত হয়।
- এই ভাষণের শব্দসংখ্যা ছিল ১১০৫ টি ।
- ভাষণের সময় বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে রেখেছিল সিরাজুল আলম খান , আ স ম আবদুর রব , তোফায়েল আহমেদ , মহিউদ্দিন , শেখ ফজলুল হক মনি। 

- বঙ্গবন্ধু তার ১৮ মিনিটের ঐতিহাসিক ভাষণে ৪টি দাবি উত্থাপন করেন। যথা−
(ক) সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
(খ) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
(৩) গণহত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে।
(৪) নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

৭ মার্চ ভিন্ন এক ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু পরবর্তী সাতদিন আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য দশদফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। দফাগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো:-

১. কর না দেওয়ার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে,
২. সকল অফিস ও আদালতে ধর্মঘট চলতে থাকবে,
৩. রেল ও বন্দরসমূহ চালু থাকবে। তবে সেনাবাহিনী চলাচলের কাজে শ্রমিক-কর্মচারীরা সহযোগিতা করবে না,
৪. রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে গণআন্দোলনের সংবাদ গোপন রাখা যাবে না,
৫. কেবল স্থানীয় এবং আন্তঃজেলার মধ্যে ট্রাঙ্ক ও টেলিফোন যোগাযোগ চালু থাকবে,
৬. সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে,
৭. কোন মাধ্যমেই ব্যাংক পশ্চিম পাকিস্তানে টাকা পাঠাবে না,
৮. প্রতিদিন সব ভবনের উপর কালো পতাকা ওড়ানো হবে,
৯. অন্য সব ক্ষেত্রে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হল, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে ধর্মঘট আহŸান করা হলে তা পালন করতে হবে,
১০. প্রতিটি মহল্লা, ইউনিয়ন, থানা, মহকুমা এবং জেলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ইউনিটের নেতৃত্বে একটি করে সংগ্রাম
পরিষদ গঠন করা হবে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

৪ দফা
৫ দফা
৮ দফা
১০ দফা সঠিক

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড