বৈকুণ্ঠের উইল:- ’বৈকুণ্ঠের উইল’ উপন্যাসের রচয়িতা- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।- এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর একটি চিরায়ত উপন্যাস।- বৈকুন্ঠ মজুমদার ব্যবসায়ী লোক, খুব সৎভাবে পরিশ্রমের মাধ্যমে তাঁর ধ্বংসপ্রায় মুদি দোকানকে বড় আড়তে পরিণত করেন তিনি।- বৈকুন্ঠের দুই ছেলে গোকুল এবং বিনোদ।- গোকুল তাঁর প্রথম স্ত্রীর সন্তান, আর দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান হচ্ছে বিনোদ।- গোকুল অনেকটা বোকা ধরনের হলেও বাবা, মা এবং ভাইয়ের প্রতি তার ভালোবাসা অনেক গভীর। - পড়াশোনায় মনোযোগ নেই বিধায় ছোটবেলায়ই বাবার আড়তের কাজে লেগে যায় গোকুল।- বিনোদ পড়ালেখায় খুবই ভালো হলেও তার স্বভাব-চরিত্র, চালচলনে মোটেও সন্তুষ্ট নন বাবা বৈকুণ্ঠ।- বৈকুণ্ঠের মনে হয় এত কষ্ট করে গড়ে তোলা তাঁর সহায়-সম্পদ বিনোদ আরাম-আয়েস করেই ধ্বংস করে দেবে আর এই ভাবনা থেকেই মৃত্যুর আগে তিনি তাঁর স্ত্রীর সম্মতি নিয়ে সমস্ত সম্পত্তি গোকুলের নামে উইল করে যান।- এই বিষয়-আশয়ের উইল নিয়ে দুই ভাইয়ের মনোভাবের কাহিনি নিয়েই রচিত হয়েছে ‘বৈকুণ্ঠের উইল’ উপন্যাসটি। • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত অন্যান্য উপন্যাস:- চরিত্রহীন,- পণ্ডিতমশাই,- পল্লীসমাজ,- দেবদাস,- শ্রীকান্ত,- পরিণীতা,- বিরাজবৌ,- দত্তা,- চরিত্রহীন,- বামুনের মেয়ে,- শেষ প্রশ্ন,- দেনাপাওনা,- পথের দাবী,- বিপ্রদাস ইত্যাদি। উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।