বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কয়টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়?
সঠিক উত্তর
১৫৭টি
সঠিক উত্তর: ১৫৭টি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ১৫৭টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
ঔষধ শিল্প:
- দেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের নীতিতে দেশি ওষুধশিল্পের বিকাশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- এই নীতির কারণে দেশে সহজ প্রযুক্তির ওষুধ আসা শুরু হয়।
- তালিকা করে দেড় হাজারের বেশি ওষুধ দেশে নিষিদ্ধ করা হয়।
- বলা হয়েছিল, যেসব ওষুধ দেশি কোম্পানিগুলো তৈরি করতে পারে সেসব ওষুধ আমদানি করা যাবে না।
- এগুলো ছিল ওষুধশিল্প পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পেছনের কারণ।
- বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়।
এছাড়াও,
- বর্তমানে দেশে ২১৩টি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আছে।
- এ শিল্পে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ।
- বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে প্রায় ১৫৭টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
- এ খাত থেকে গত অর্থবছরে ১৭ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার আয় হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
উৎস: i) এপ্রিল ২৭, ২০২৪, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
ঔষধ শিল্প:
- দেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের নীতিতে দেশি ওষুধশিল্পের বিকাশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- এই নীতির কারণে দেশে সহজ প্রযুক্তির ওষুধ আসা শুরু হয়।
- তালিকা করে দেড় হাজারের বেশি ওষুধ দেশে নিষিদ্ধ করা হয়।
- বলা হয়েছিল, যেসব ওষুধ দেশি কোম্পানিগুলো তৈরি করতে পারে সেসব ওষুধ আমদানি করা যাবে না।
- এগুলো ছিল ওষুধশিল্প পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পেছনের কারণ।
- বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়।
এছাড়াও,
- বর্তমানে দেশে ২১৩টি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আছে।
- এ শিল্পে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ।
- বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে প্রায় ১৫৭টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
- এ খাত থেকে গত অর্থবছরে ১৭ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার আয় হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
উৎস: i) এপ্রিল ২৭, ২০২৪, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
সকল অপশন
রেফারেন্স মাত্র
- ১৫৭টি সঠিক
- ২০৩টি
- ১৮৭টি
- ১১৩টি
প্রশ্ন তথ্য
- বিষয়
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- মার্ক
- 1.00