বাংলাদেশের কোন ইপিজেডে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: চট্টগ্রাম
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
ইপিজেট সম্পর্কিত তথ্যঃ
BEPZA - এর অধীনস্ত ইপিজেড এর সংখ্যা বর্তমানে - ৮টি।
এসকল ইপিজেডের অধীনে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ৪৭০টি। এই সকল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পোশাক শিল্পের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি (১১৬টি)।
⤇ সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - চট্টগ্রাম ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ১৬১টি।
দ্বিতীয় স্থানে থাকা ঢাকা ইপিজেড (সাভার) - এর শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ১০২টি।
সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - ঈশ্বরদী ও উত্তরা ইপিজেডের। শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ১৮টি করে।
⤇ ইপিজেডগুলো থেকে মোট রপ্তানির পরিমাণ - ৭১,৫৮২.৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় আসে - চট্টগ্রাম ইপিজেড থেকে; পরিমাণ - ৩০,৪৭৩.৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন