প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি: - যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে আ, এ, ও ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বলা হয় প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি। যথা: - এক দিকে চোখ (দৃষ্টি) যার = একচোখা (চোখ+আ), - ঘরের দিকে মুখ যার = ঘরমুখো (মুখ+ও), - নিঃ (নেই) খরচ যার = নি-খরচে (খরচ+এ)। - এরকম: দোটানা, দোমনা, একগুঁয়ে, অকেজো, একঘরে, দোনলা, দোতলা, ঊনপাঁজুরে ইত্যাদি।
অন্যদিকে: নিত্য সমাস: - যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না তাকে নিত্য সমাস বলে। - শব্দের শেষে ‘মাত্র’ ‘অন্তর’ যুক্ত থাকলে সাধারণত নিত্য সমাস হয়। যেমন: - গৃহান্তর, - গ্রামান্তর।
মধ্যপদলােপী কর্মধারয়: - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লােপ পায়, তাকে মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: - মৌ-সঞ্চয়কারী মাছি = মৌমাছি, - আত্মলিখিত জীবনী = আত্মজীবনী।
সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস: - যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হয়ে থাকে, তাকে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: - কালাে বরণ যার = কালােবরণ, - পােড়া কপাল যার = পােড়াকপালে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।