• ২০২৪ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার:
• পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজ্ঞানীরা:- ডেভিড বেকার:
- ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি প্রফেসর।
- তিনি কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইন প্রযুক্তিতে কাজ করেছেন।
- ডেমিস হাসাবিস এবং জন জাম্পার:
- যথাক্রমে তাঁরা গুগল ডিপমাইন্ডের সিইও এবং পরিচালক।
- তাঁরা প্রোটিন গঠনের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য AI প্রযুক্তি আলফা ফোল্ড ২ তৈরি করেছেন।
• AlphaFold2:- Google DeepMind সংস্থা AlphaFold2 প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।- AlphaFold2 হল একটি উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) মডেল যা প্রোটিনের গঠন পূর্বাভাস দিতে সক্ষম।
- এটি প্রোটিনের অ্যামিনো অ্যাসিড সিকোয়েন্সের ভিত্তিতে তাদের ত্রি-মাত্রিক গঠন দ্রুত এবং সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে সহায়তা করে।
পুরস্কারের কারণ:
- প্রোটিন ডিজাইন: ডেভিড বেকারের কাজ নতুন প্রোটিন গঠনের জন্য ডিজাইন করা, যা প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না। এর মাধ্যমে চিকিৎসা এবং প্রযুক্তিতে নতুন কিছু তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
- প্রোটিন গঠনের পূর্বাভাস: হাসাবিস এবং জাম্পারের আলফা ফোল্ড ২ প্রযুক্তি প্রোটিনের ৩-ডি গঠন পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে ৪০% থেকে ৯০% পর্যন্ত সঠিকতা বৃদ্ধি করেছে।
- প্রোটিনের গুরুত্ব: প্রোটিন হল জীবনের মৌলিক অণু, যা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াগুলি পরিচালনার জন্য অত্যাবশ্যক। সঠিক গঠন ও কার্যকারিতা বোঝার মাধ্যমে জীবনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানা সম্ভব হবে।
- গবেষণার প্রভাব: এই আবিষ্কারগুলি অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ, পরিবেশগত সমস্যার সমাধান, এবং প্রোটিন-মধ্যস্থ প্রক্রিয়াগুলির উন্নয়নে সহায়তা করেছে। নতুন প্রোটিন ডিজাইন প্রযুক্তি বিভিন্ন খাতে যেমন, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশ বিজ্ঞানেও ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এই নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানীদের কাজ আধুনিক রসায়ন এবং জীবন বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তাদের আবিষ্কার মানব জীবনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে সহায়ক হতে পারে।
অন্যদিকে,
- জেনিফার ডাউডনা হলেন একজন বিখ্যাত আমেরিকান জীবাণু রসায়নবিদ, যিনি ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে-এ অধ্যাপনা করেন।
- তিনি (CRISPR) ক্রিস্পার প্রযুক্তির সহ-আবিষ্কারক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ২০২০ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন, যা জিন সম্পাদনার ক্ষেত্রে বিপ্লবী পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- ডাউডনা এর কাজ বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে, যা চিকিৎসা এবং কৃষিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
সূত্র:
১)
nobelprize.org/prizes/chemistry [লিংক]২)
reuters [লিংক]