মেধাবী
Toggle menu

আধুনিক পরানীতিবিদ্যার জনক হিসেবে অভিহিত -

সঠিক উত্তর
জি. ই. ম্যূর

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

নীতিবিদ্যার মূল ধারা:- নীতিবিদ্যার চারটি ও ধারা বা ধরনের কথা চিন্তা করা যায়।- এগুলো হচ্ছে বর্ণনামূলক নীতিবিদ্যা, মানমূলক নীতিবিদ্যা, বিশ্লেষণী বা পরানীতিবিদ্যা ও ব্যবহারিক নীতিবিদ্যা।• পরানীতিবিদ্যা:- বিভিন্ন নৈতিক উক্তি, পদ বা অবধারণ, নৈতিক পদের সাথে নৈতিক অবধারণের যৌক্তিকতা নিরূপণ, নৈতিক পদ বা অবধারণের অর্থ বিশ্লেষণ প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে যে নৈতিক মতবাদগুলো গড়ে উঠেছে তার সমষ্টিই হলো পরানীতিবিদ্যা।- ‘Meta Ethics’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হচ্ছে পরানীতিবিদ্যা।- পরানীতিবিদ্যা হচ্ছে নৈতিক পদ ও অবধারণ তথা নৈতিক ভাষার অর্থ ও যুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা।- মানমূলক নীতিবিদ্যায় কতগুলো মানদন্ড বা আদর্শের আলোকে আমাদের আচরণের ভালমন্দ নির্ণিত হয়।- ব্যবহারিক নীতিবিদ্যার লক্ষ্য হলো আমাদের বাস্তব জীবনের কিছু চলতি সমস্যাকে নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করা।- বর্ণনামূলক নীতিবিদ্যা মূলত অভিজ্ঞতানির্ভর ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে রচিত। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে বিবর্তনবাদী নীতিবিদ্যা।⇒ ব্রিটিশ দার্শনিক জি. ই. ম্যূরকে পরানীতিবিদ্যা প্রবর্তক বলা হয়।- বিগত শতাব্দীর গোড়ার দিকে ১৯০৩ সালে ‘প্রিনসিপিয়া এথিকা' শীর্ষক পুস্তকে তিনি এই ধরনের আলোচনার সূত্রপাত করেন।- জি. ই. ম্যূর বলেছেন, 'শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগ হচ্ছে নৈতিকতা।'উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

হল্যান্ড
জি. ই. ম্যূর সঠিক
অ্যারিস্টটল
মসকা

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
গাণিতিক যুক্তি
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড