তরঙ্গ: জড় মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে সৃষ্ট যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন ঐ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চালিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না সেই পর্যাবৃত্ত আন্দোলনকে তরঙ্গ বলে।
অনুপ্রস্থ তরঙ্গ: যদি মাধ্যমের কণাগুলি একটি তরঙ্গের প্রসারণের অভিমুখে লম্ব আকারে সরে যায়, তবে তরঙ্গটিকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে। আলোক তরঙ্গ একটি অনুপ্রস্থ তরঙ্গ।
তাড়িতচুম্বক তরঙ্গ: মাধ্যম ছাড়াও বিশেষ ধরণের তরঙ্গ সঞ্চারিত হয় এ তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বক তরঙ্গ।
পর্যাবৃত্ত গতি: কোনো বস্তু নির্দিষ্ট সময় পরপর একই দিক থেকে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে অতিক্রম করলে যে গতি উৎপন্ন হয় তাকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে। পর্যাবৃত্ত গতি দু' ধরণের। ঘূর্ণন গতি ও স্পন্দন গতি।
পর্যায়কাল: পর্যায় গতিসম্পন্ন বস্তু বা বস্তু কণার একই দিক থেকে নির্দিষ্ট বিন্দুটি অতিক্রম করতে যে সময় লাগে তাকে পর্যায়কাল বলে।
স্পন্দন গতি: যদি পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন কোন বস্তু পর্যায়কালের অর্ধেক সময় কোন নির্দিষ্ট দিকে এবং বাকি অর্ধেক সময় বিপরীত দিকে চলে তবে ঐ গতিকে স্পন্দন গতি বা ছন্দিত গতি বলে।
সরল ছন্দিত গতি: যদি পর্যাবৃত্ত গতি সম্পন্ন বস্তু বা কণার গতি সরল রৈখিক হয় এবং এর ত্বরণ সাম্য অবস্থান থেকে এর সরণের সমানুপাতিক হয় এবং এর দিক সব সময় সাম্য অবস্থান অভিমুখী হয়, তা হলে বস্তু কণার ঐ গতিকে সরল ছন্দিত গতি বা সরল ছন্দিত স্পন্দন বলে।
তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।