• চরণটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'খেয়া- পারের তরণী' কবিতার অন্তর্গত।
- এ কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
----------------
'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত কবিতার তালিকা:
- প্রলয়োল্লাস,
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বরধারিণী মা,
- আগমনী,
- ধূমকেতু,
- কামাল পাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত ইল আরব,
- খেয়াপাড়ের তরণী,
- কোরবানি ও
- মহররম।
-------------------------
খেয়া-পারের তরণী- কবিতা,
- কাজী নজরুল ইসলাম।
যাত্রীরা রাত্তিরে হতে এল খেয়া পার,
বজ্রেরি তূর্যে এ গর্জেছে কে আবার?
প্রলয়েরি আহ্বান ধ্বনিল কে বিষাণে!
ঝন্ঝা ও ঘন দেয়া স্বনিল রে ঈশানে!
-----------
---------------
‘শাফায়ত’-পাল-বাঁধা তরণীর মাস্তুল,
‘জান্নাত্’ হতে ফেলে হুরি রাশ্ রাশ্ ফুল।
শিরে নত স্নেহ-আঁখি মঙ্গল দাত্রী,
গাও জোরে সারি-গান ও-পারের যাত্রী।
বৃথা ত্রাসে প্রলয়ের সিন্ধু ও দেয়া-ভার,
ঐ হলো পুণ্যের যাত্রীরা খেয়া পার।
উৎস: খেয়া-পারের তরণী- কবিতা, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)।