‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ - উপন্যাসটি কার লেখা উপন্যাস?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
মনসা দেবীকে নিয়ে বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কি?
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- স্নাতক শ্রেণিতে অধ্যয়নের সময় বিচিত্রা পত্রিকায় তাঁর প্রথম গল্প ‘অতসী মামী’ (১৯২৮) প্রকাশিত হলে পাঠক মহলে আলোড়নের সৃষ্টি হয়।
- বিশ শতকের তিরিশের দশকে রবীন্দ্রনাথ-শরৎচন্দ্র ধারার বিরোধিতা করে যে কল্লোল গোষ্ঠীর আবির্ভাব ঘটে, সেই গোষ্ঠীর লেখক হিসেবে মানিকের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে ওঠে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর রচনায় মানুষের অন্তর্জীবন ও মনোলোক বিশ্লেষণে শক্তিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর প্রথম দিকের রচনায় নিপুণভাবে বিশ্লেষিত হয়েছে মানুষের অবচেতন মনের নিগূঢ় রহস্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও পঞ্চাশের মন্বন্তর পরবর্তী রচনায় তাঁর সমাজতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠেছে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা নাগরিক জীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করে তার নিখুঁত চিত্র অঙ্কিত হয়েছে তাঁর এ পর্যায়ের রচনায়।
- জীবনের অতি ক্ষুদ্র পরিসরে তিনি রচনা করেন অর্ধশতাধিক উপন্যাস ও দুশো চবিবশটি গল্প ।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গন্থ:
উপন্যাস জননী (১৯৩৫),
দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫),
পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬),
পুতুলনাচের ইতিকথা (১৯৩৬),
শহরতলী (১৯৪০-৪১),
চিহ্ন (১৯৪৭),
চতুষ্কোণ (১৯৪৮),
সার্বজনীন (১৯৫২),
আরোগ্য (১৯৫৩) প্রভৃতি;
ছোটগল্প
অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প (১৯৩৫),
প্রাগৈতিহাসিক (১৯৩৭),
সরীসৃপ (১৯৩৯),
সমুদ্রের স্বাদ (১৯৪৩),
হলুদ পোড়া (১৯৪৫),
আজ কাল পরশুর গল্প (১৯৪৬),
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৫০),
ফেরিওয়ালা (১৯৫৩) ইত্যাদি।
- পদ্মানদীর মাঝি ও পুতুলনাচের ইতিকথা উপন্যাস দুটি তাঁর বিখ্যাত রচনা। এ দুটির মাধ্যমেই তিনি সর্বাধিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
উৎস: সাহিত্যপাঠ, একাদশ দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন