যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ, জলে চরে যা = জলচর। না বাচক নঞ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে সমাস হয় তাকে বলে, নঞ্ তৎপুরুষ সমাস। যেমন: ন কাল = অকাল বা আকাল, ন আচার = অনাচার। যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ হয় না তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: গায়ে পড়া = গায়েপড়া। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি।