• তৎপুরুষ সমাস: যে সমাসে পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: - ঘি দ্বারা ভাজা = ঘিভাজা; - মন দ্বারা গড়া = মনগড়া; - মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা; - মেঘ হতে মুক্ত = মেঘমুক্ত; - ঘর হতে ছাড়া = ঘরছাড়া ইত্যাদি।
অন্যদিকে, • অব্যয়ীভাব সমাস: পূর্বপদে অব্যয়যােগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযােগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন: - জানু পর্যন্ত লম্বিত (পর্যন্ত শব্দের অব্যয় ‘আ’) = আজানুলম্বিত (বাহু), - মরণ পর্যন্ত = আমরণ।
• দ্বন্দ্ব সমাস: যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: - দোয়াত ও কলম = দোয়াত-কলম; - তাল ও তমাল = তাল-তমাল ইত্যাদি।
• বহুব্রীহি সমাস: যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: - কানে কানে যে কথা = কানাকানি - কোলে কোলে যে মিলন = কোলাকুলি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।