অবস্থাবাচক বিশেষণ:
- যে বিশেষণ দিয়ে অবস্থা বােঝায়, তাকে অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন:
- চলন্ত ট্রেন, তরল পদার্থ – এখানে 'চলন্ত' ও 'তরল' অবস্থাবাচক বিশেষণ।
অন্যদিকে:
ভাববাচক বিশেষণ:
- যেসব বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে, সেসব বিশেষণকে ভাববাচক বিশেষণ বলে।
যেমন:
- খুব ভালো খরব।
- গাড়িটা বেশ জোরে চলছে।
- এসব বাক্যে ‘খুব’ এবং ‘বেশ’ ভাববাচক বিশেষণ।
গুণবাচক বিশেষণ:
- যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বােঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন:
- চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি – এখানে ‘চালাক’ ও ঠান্ডা হলাে গুণবাচক বিশেষণ।
নির্দিষ্টতাবাচক:
- যে বিশেষণ দিয়ে বিশেষিত শব্দকে নির্দিষ্ট করা হয়, তাকে নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন:
- এই দিনে, সেই সময় – এখানে ‘এই' ও 'সেই' নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।