‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন' কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
সঠিক উত্তর
১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর: ১৯৮৭ সালে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭:
- ১৯৪৭ সালে ভারত বর্ষ ভাগ হয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম আঘাতটাই আসে বাংলা ভাষার ওপর।
- মাতৃভাষার অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন।
- মাতৃভাষার জন্য এমন বিরল আত্মদানের দৃষ্টান্ত পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয়টি নেই।
- দেশ স্বাধীনের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে বাংলাকে অন্তভুর্ক্ত করেন।
- সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রভাষা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।’
- এর মানে সংবিধান যেদিন প্রণীত হলো, সেদিন থেকেই এই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে ১৬ জুলাই ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন’ গঠন করে যা কুদরাত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন নামে পরিচিত।
- কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষার মাধ্যম হবে বাংলা।
উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ প্রণয়ন করা হয়।
- ঐ আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘এই আইন প্রবর্তনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারি অফিস-আদালত, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন-আদালতের সওয়াল-জবাব এবং অন্যান্য আইনানুগ কার্যাবলি অবশ্যই বাংলায় লিখিত হইবে।
- এই ধারা মোতাবেক কোনো কর্মস্থলে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় আবেদন বা আপিল করেন তা হলে এটা বেআইনি ও অকার্যকর বলে গণ্য হবে।
উৎস: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, দৈনিক ইত্তেফাক।
- ১৯৪৭ সালে ভারত বর্ষ ভাগ হয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম আঘাতটাই আসে বাংলা ভাষার ওপর।
- মাতৃভাষার অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন।
- মাতৃভাষার জন্য এমন বিরল আত্মদানের দৃষ্টান্ত পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয়টি নেই।
- দেশ স্বাধীনের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে বাংলাকে অন্তভুর্ক্ত করেন।
- সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রভাষা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।’
- এর মানে সংবিধান যেদিন প্রণীত হলো, সেদিন থেকেই এই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে ১৬ জুলাই ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন’ গঠন করে যা কুদরাত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন নামে পরিচিত।
- কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষার মাধ্যম হবে বাংলা।
উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ প্রণয়ন করা হয়।
- ঐ আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘এই আইন প্রবর্তনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারি অফিস-আদালত, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন-আদালতের সওয়াল-জবাব এবং অন্যান্য আইনানুগ কার্যাবলি অবশ্যই বাংলায় লিখিত হইবে।
- এই ধারা মোতাবেক কোনো কর্মস্থলে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় আবেদন বা আপিল করেন তা হলে এটা বেআইনি ও অকার্যকর বলে গণ্য হবে।
উৎস: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, দৈনিক ইত্তেফাক।
সকল অপশন
রেফারেন্স মাত্র
- ১৯৫৩ সালে
- ১৯৫৭ সালে
- ১৯৮৫ সালে
- ১৯৮৭ সালে সঠিক
প্রশ্ন তথ্য
- বিষয়
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- শ্রেণী
- বিসিএস
- মার্ক
- 1.00