------------------- • প্রাপ্ত নিদর্শনের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার কালক্রম ৩টি যুগে বিভক্ত। যথা: ১. প্রাচীন বাংলা: - ১০ম থেকে ১৩৫০ শতক। নিদর্শন: চর্যাপদ বা বৌদ্ধগান ও দোহা।
২. মধ্যযুগ: - ১৩৫০ থেকে ১৮ শতক। আদি-মধ্যযুগের বাংলা (১৩৫০ থেকে ১৫শতক) এবং অন্ত্য-মধ্যযুগের বাংলা (১৬ শতক থেকে ১৮ শতক) নিদর্শন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, রামায়ণ, মনসাবিজয়, চণ্ডীমঙ্গল, অন্নদামঙ্গল, মহাভারত, পদ্মাবতী।
৩. আধুনিক যুগের বাংলা: - ১৯ শতক থেকে বর্তমান। ============== • 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য: - নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। - কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন। - অন্নদামঙ্গল কাব্যধারার প্রধান কবি ছিলেন- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। - অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা: • শিবনারায়ণ, • কালিকামঙ্গল এবং • মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড। ============= - অন্নদামঙ্গল কাব্যের চরিত্র ঈশ্বরী পাটনীর উক্তি: - 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'।
• অন্নদামঙ্গল কাব্যের কিছু বিখ্যাত পঙক্তি হলো- - 'মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন', - 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?' - 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে',
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর) এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।