• ই-বুক (Ebook): - ই-বুক এর পূর্ণাঙ্গ অর্থ হলো 'ইলেকট্রনিক বুক'। - প্রিন্টকৃত বইয়ের ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল ভার্সনকে ই-বুক বলা হয়, যা কম্পিউটার, মোবাইল বা বিশেষভাবে ডিজাইনকৃত কোনো বহনযোগ্য ডিভাইসে পাঠ করা যায়। - ই-বুক টেক্সট, চিত্র, ভিডিও, এনিমেশন বা এর সবগুলো নিয়েই নিয়ে গঠিত হতে পারে। - এটি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা যায়, যা বিভিন্ন ধরনের ই-রিভার দিয়ে পড়া যায়। - প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়। - ই-বুক বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস (যেমন- স্মার্টফোন, আইপ্যাড, আইফোন, উইন্ডোজ, ম্যাক কম্পিউটার, ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ)-এ পড়া যায়। - মাইকেল এস হার্ট ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনামূল্যে ই-বুক বিতরণের প্রথম প্রজেক্ট গুটেনবার্গ- এর উদ্যোক্তা ছিলেন তাই তাকে ই-বুকের আবিষ্কারক বা জনক বলা হয় • ই-বুক ব্যবহারের সুবিধা: ১. ই-বুক ডাউনলোড করে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য পাওয়া সম্ভব। ২. ব্যবহারিকভাবে ই-বুক সংরক্ষণের জন্য কোন লাইব্রেরি বা কক্ষের প্রয়োজন নেই। কম্পিউটার বা রিডিং ডিভাইসে ই-বুক সহজে সংরক্ষণ করা যায়। ৩. ই-বুক সহজে যেখানে-সেখানে নিয়ে যাওয়া যায়। ৪. ই-বুকে সহজে তথ্য সার্চ করা যায়। ৫. ই-বুক ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় বলে কোন ধরনের শিপিং বা প্যাকিং খরচ নেই। ৬. ই-বুক সহজেই প্রিন্ট বিতরণ ও বিক্রয় করা সম্ভব, ফলে আর্থিক খরচ কম হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।