চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: বহু মাইক্রোপ্রসেসর এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশবিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: বহু মাইক্রোপ্রসেসর এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশবিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
নিচের কোনটি Anti- Virus Software নয়?
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার:
- ১৯৭১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্ম শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়। ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large Scale Integration) চিপের আবির্ভাব ঘটে। একটি একক VLSI সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে। কম্পিউটার তৈরিতে বড় ধরনের বিপ্লব পরিলক্ষিত হয় ১৯৭১ সালে IC এবং VLSI বর্তনীর সাহায্যে নির্মিত মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে। মূলত মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো। মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়। ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। সাথে সাথে মেমরিও উন্নতি ঘটে ব্যাপক ফলে শুরু হয়ে যায় কম্পিউটারের বহুমুখী ব্যবহার এবং তৈরি হতে শুরু হয় পার্সোনাল কম্পিউটার। Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে। IBM -3033, IBM -4341, TRS -40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার।
• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) ব্যবহার।
২। বহু মাইক্রোপ্রসেসর এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশবিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার।
৩। বর্তনীগুলোতে অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার।
৪। উন্নত মেমরির তথা ম্যাগনেটিক বাবল মেমরির ব্যবহার।
৫। মানুষের কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে প্রদত্ত নির্দেশের অনুধাবন।
৬। তথ্য ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নয়ন।
৭। অত্যন্ত শক্তিশালী ও উচ্চগতিসম্পন্ন মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার।
৮। সুপার কম্পিউটারের উন্নয়ন।
৯। প্যাকেজ প্রোগ্রামের প্রচলন।
১০। ইন্টারনেটসহ কম্পিউটার নেটওয়ার্কব্যবস্থা চালু ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রেফারেন্স মাত্র
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের আরও প্রশ্ন