বাংলাদেশে শস্য বৈচিত্র্যকরণের প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ঝুঁকি হ্রাস করা এবং আয় ও পুষ্টির উন্নতি করা
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ঝুঁকি হ্রাস করা এবং আয় ও পুষ্টির উন্নতি করা
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
→ বাংলাদেশে শস্য বৈচিত্র্যকরণের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ঝুঁকি হ্রাস করা এবং আয় ও পুষ্টির উন্নতি করা।
• বাংলাদেশে শস্য বৈচিত্র্যকরণ / Crop Diversification:
- শস্য বৈচিত্র্যকরণ হলো একই জমিতে বারবার শুধু একটি নির্দিষ্ট ফসল (যেমন: ধান) চাষ না করে, জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণ বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ধরনের লাভজনক ও পুষ্টিকর ফসল চাষ করার একটি বৈজ্ঞানিক কৃষি পদ্ধতি।
- অর্থাৎ, কৃষিকে একক ফসলের ওপর নির্ভরশীল না রেখে জমিতে ফসলের বৈচিত্র্য বা বহুমুখিতা আনাই হলো শস্য বৈচিত্র্যকরণ।
⇒ শস্য বৈচিত্র্যকরণের প্রধান উদ্দেশ্য:
• ঝুঁকি ও ক্ষয়ক্ষতি কমানো
• পুষ্টির চাহিদা পূরণ
• কৃষকের আয় বৃদ্ধি
• মাটির স্বাস্থ্য ও উর্বরতা রক্ষা
• আমদানি নির্ভরতা কমানো
তথ্যসূত্র: i) The Food and Agriculture Organization
ii) বিভিন্ন একাডেমিক জার্নাল।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন