অন্নদামঙ্গল কাব্য কতটি খণ্ডে বিভক্ত?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: তিনটি
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: তিনটি
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
মনসা দেবীকে নিয়ে বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কি?
বাংলা সাহিত্য বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• অন্নদামঙ্গল কাব্যটি অন্নদা, বিদ্যাসুন্দর ও মানসিংহ—এই তিন খণ্ডে বিভক্ত।
--------------------------
• অন্নদামঙ্গল:
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা হলেন ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর।
- ভারতচন্দ্র রায় অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি এবং নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি।
- তাঁর কাব্য প্রতিভার কারণে তিনি বাংলা সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেছেন।
- অন্নদামঙ্গল কাব্য মূলত দেবী অন্নপূর্ণার মহিমা, শিব-পার্বতীর কাহিনী এবং রাজ পরিবার ও পৌরাণিক ইতিহাসের আখ্যান নিয়ে রচিত।
- কাব্যটি ১৭৫২–৫৩ খ্রিষ্টাব্দে রচিত ।
- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র এই কাব্যের জন্য ভারতচন্দ্র রায়কে ‘গুণাকর’ উপাধি দেন।
- অন্নদামঙ্গল কাব্য বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ এবং শ্রেষ্ঠ কাব্য হিসেবে বিবেচিত।
- কাব্যটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত:
১. সতীর সঙ্গে শিবের বিবাহ ও দক্ষের মহাযজ্ঞের ধ্বংসলীলার কাহিনী।
২. কালকেতু ও তাঁর উপাসনার মাধ্যমে দেবী অন্নদার পৃথিবীতে আগমন।
৩. বর্ধমানের রাজকন্যা বিদ্যা ও যুবরাজ সুন্দরের প্রেমকাহিনী। ভারতচন্দ্র এই তিন খণ্ডকে সেতুবন্ধন রচনা করে সমন্বিত করেছেন।
- অন্নদামঙ্গলের চরিত্রগুলোতে পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক চরিত্র অন্তর্ভুক্ত—
- দেবী অন্নদা (অন্নপূর্ণা), শিব, বিদ্যা, সুন্দর, মানসিংহ, ভবানন্দ মজুমদার।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা সাহিত্য বিষয়ের আরও প্রশ্ন