যেসব ধাতুর মূল সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসেনি বরং প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে এসেছে, তাদের কী বলে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: খাঁটি বাংলা ধাতু
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: খাঁটি বাংলা ধাতু
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি কোনটি?
আ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান হয় সব থেকে নিম্নে হয়। তাই নিম্ন বিবৃত স্বরধ্বনি বলে।
বাংলা ব্যাকরণ বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• বাংলা ধাতু:
- যেসব ধাতুর মূল সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে আসেনি, কিন্তু প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেসবকে খাঁটি বাংলা ধাতু বলা হয়।
- এ ধাতুর ভিত্তিতে বাংলা ক্রিয়াপদ, কৃদন্ত, বিশেষ্য, বিশেষণ ইত্যাদি গঠিত হয়েছে।
- উদাহরণ: নাচ্ কাট্ কাঁদ্, আঁক্, কহ্, কাট্, কর্, কিন্, খা, গড়, দেখ, ঘষ, ধর্, পড়, বাঁধ, বুঝ, রাখ, শুন্, থাক্, হাস্ ইত্যাদি।
--------
• মৌলিক ধাতু:
- যে ধাতুকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক বা সিদ্ধ ধাতু বলা হয়।
- এদের স্বয়ংসিদ্ধ ধাতু নামেও অভিহিত করা হয়।
- যেমন: কর্, চল্, বল্, দেখ, খি, যা, আস্ ইত্যাদি।
• মৌলিক ধাতুর প্রকার:
- সংস্কৃত ধাতু:
যে সব ক্রিয়াপদের মূল সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে, সেসব ধাতু সংস্কৃত মূল ধাতু। এ ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়া, বিশেষ্য বা বিশেষণ গঠিত হয়।
উদাহরণ: ক্রী, খাদ্, গঠ, ঘৃষ্, দৃশ্, পঠ, বন্ধু, বুধ, বৃক্ষ, শু, স্থা, হস্, অঙ্ক, কথ, কৃৎ, কৃ, ক্রন্দ্ ইত্যাদি।
- বিদেশাগত ধাতু:
- প্রধানত হিন্দি এবং ক্বচিৎ আরবি-ফারসি ভাষা থেকে যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে বিদেশাগত ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলা হয়।
- যেমন- ভিক্ষে মেগে খায়। এ বাক্যে 'মাগ্' ধাতু হিন্দি 'মা' থেকে আগত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা ব্যাকরণ বিষয়ের আরও প্রশ্ন