এক্সরের ধর্ম: ১। এক্সরে সরল পথে গমন করে। ২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। ৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। ৪ । এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। ৫। এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। ৬। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। ৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। ৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। ১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। ১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। ১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। ১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।