জেনেটিক ডিসঅর্ডার:- বংশগতির অনিয়মের কারণে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটে। বংশগতির এ অনিয়মকে বলা হয় জেনেটিক ডিসঅর্ডার। এটি এক প্রকার অস্বাভাবিকতা।
- এর ফলে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেয়।
যেমন-
বর্ণান্ধতা,
থ্যালাসেমিয়া,
ডাউন সিন্ড্রোম, পাটাও সিন্ড্রোম, এডওয়ার্ড সিন্ড্রোম, ক্লাইনফেল্টার ও ডাবল ওয়াই সিন্ড্রোম, ট্রিপলো-X সিন্ড্রোম, টার্নার সিন্ড্রোম, হানটিংটনস সিন্ড্রোম, সিকিল সেল (রক্তশূন্যতা) ইত্যাদি।
- এছাড়া, হ্যানসেনস্ ডিজিজ হলো লেপ্রসি বা কুষ্ঠ রোগ।
-
হ্যানসেনস্ ডিজিজ কোনো জেনেটিক ডিসঅর্ডার নয়।
- শত সহস্র বছর ধরে এ রোগকে কেন্দ্র করে নানাবিধ অলীক ধারণা ও কুসংস্কার চলে আসছে, কোথাও এটাকে মনে করা হয়েছে বিধাতার অভিশাপ, কোথাও বা পাপাচারের ফসল।
- ১৮৭৩ সালে নরওয়ের বিজ্ঞানী গেরহার্ড হ্যানসেন প্রমাণ করেন, কুষ্ঠ আসলে একটি জীবাণুঘটিত রোগ, যা একটি ধীরলয়ে বংশ বিস্তার করা ব্যাকটেরিয়ার কারণে ঘটে।
- এই ব্যাকটেরিয়াটি Mycobacterium leprae নামে পরিচিত।
- সেই থেকে এ রোগটি হ্যানসেনস্ ডিজিজ নামেও পরিচিতি লাভ করে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দি ডেইলি স্টার বাংলা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১। [লিঙ্ক]