মেধাবী
Toggle menu

সাধু ভাষা রীতির ব্যবহার কোন ক্ষেত্রে অনুপযোগী?

সঠিক উত্তর
নাটকের সংলাপে

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

• প্রখ্যাত বৈয়াকরণ ও ভাষাতত্ত্ববিদ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, "সাধারণ গদ্য-সাহিত্যে ব্যবহৃত বাঙ্গালা ভাষাকে সাধু ভাষা বলে।"
সুতরাং, বাংলা গদ্য-সাহিত্যে ব্যবহৃত সংস্কৃত শব্দবহুল সুষ্ঠু, মার্জিত, সর্বজনবোধ্য, অথচ নিয়মবন্ধ ও কৃত্রিম ভাষারূপ হলো সাধুভাষা

• বক্তৃতা, নাটক ও আলাপচারিতার অনুপযোগী বলে এই ভাষা কৃত্রিম, এবং শুধু লেখ্য ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন: 'যাহাকে তাহাকে মারিতে যাওয়া তোমার উচিত হয় নাই'। এখানে 'যাহাকে', 'তাহাকে' সর্বনাম পদ; 'মারিতে'-ক্রিয়া পদ এবং 'নাই'-নঞর্থক অব্যয় (যোজক) পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়েছে। সাধুভাষা কঠোর ব্যাকরণের রীতিতে নিয়ন্ত্রিত।

• উল্লেখ্য যে, বিভিন্ন পদ-বিশেষত ক্রিয়া, সর্বনাম ও নঞর্থক অব্যয় পদের পূর্ণরূপ বজায় রেখে-সহজ, সরল, তদ্ভব ও দেশি-বিদেশি শব্দের সমাবেশে হালকা রীতিতেও সাধু ভাষা ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

বাংলা ভাষার সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য:
- বাংলা লেখ্য সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
- সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী।
- এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া পদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণi (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

নাটকের সংলাপে সঠিক
কাব্য রচনায়
গদ্য-সাহিত্যে
কোনোটিই নয়

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
বাংলা
শ্রেণী
শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন - প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড