বখতিয়ার খলজী বাংলার কোন রাজাকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: লক্ষণ সেন
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: লক্ষণ সেন
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
বখতিয়ার খিলজির নদীয়া অভিযান:
- ১২০৪ সালে লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে তুর্কী বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা করেন।
- বিহারকে মূল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি পূর্ব দিকে সেনারাজ্য আক্রমণের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন।
- বাংলার সেনবংশীয় বয়োঃবৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেন তখন নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন।
- সেনদের আদি রাজধানী ছিল ঢাকার বিক্রমপুরে।
- নদীয়া ছিল তাদের দ্বিতীয় রাজধানী।
- বখতিয়ার খিলজি ১২০৪ খ্রি. নদীয়া জয় করেন।
- নদীয়া আক্রমণের সময় বখতিয়ার বাংলার সাধারণ প্রবেশ পথ তেলিয়াগর্হির গিরিপথ দিয়ে না ঢুকে উড়িষ্যার ঝড়খন্ডের জঙ্গলের দূর্গম পথে বাংলায় প্রবেশ করেন।
- তিনি ঘোড়া ব্যবসায়ীর ছদ্মবেশে মাত্র ১৭ বা ১৮ জন অগ্রগামী অশ্বারোহী সৈন্য নিয়ে দ্রুতগতিতে নদীয়ার দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হন।
- মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি রাজপ্রাসাদের রক্ষীদের হত্যা করে প্রাসাদে ঢুকে অতর্কিতে আক্রমণ শুরু করেন।
- ইতিমধ্যে তাঁর মূল বাহিনী এসে পড়ে।
- এ সময় রাজা লক্ষণ সেন মধ্যাহ্নভোজে ব্যস্ত ছিলেন।
- তিনি এ আকস্মিক আক্রমণে ভীত হয়ে কোন প্রতিরোধ ছাড়াই পেছনের দরজা দিয়ে নৌকা যোগে পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরে পালিয়ে যান।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচ এসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন