বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সাংবিধানিক ভিত্তি কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: অনুচ্ছেদ ২৫
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: অনুচ্ছেদ ২৫
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
’বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?
বলাকা, কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী ও প্রতিভা ইত্যাদি গমের জাত।
সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সাংবিধানিক ভিত্তি:
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সাংবিধানিক ভিত্তি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।
- অনুচ্ছেদটি সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সম্পর্কিত দ্বিতীয় ভাগে অন্তর্ভুক্ত।
- এই অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ৪টি স্তম্ভের কথা বলা হয়েছে:
• সার্বভৌমত্ব ও সমতা: অন্যান্য রাষ্ট্রের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন।
• অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা: অন্য কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা।
• বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান: আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান করা।
• আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা: আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন।
⇒ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
রেফারেন্স মাত্র
সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের আরও প্রশ্ন