’মারমা’ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাসস্থান কোথায়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: খাগড়াছড়ি
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
মারমা
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- মারমা জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- প্রায়শই তাদের আলাদা জনগোষ্ঠী হিসেবে দেখা হয়।
- ১৯৯১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের মারমা জনসংখ্যা ১,৫৭,৩০১।
- ২০২২ সালের আদমশুমারিতে তাদের সংখ্যা ২,২৪,২৯৯ জন।
- মারমারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- মারমাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- ভাষাতাত্ত্বিকদের মতে, মারমাদের ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- বর্ণমালার নাম ম্রাইমাজা।
- বাম থেকে ডান দিকে লেখার রীতি অনুসারী বর্ণমালা
- উপমহাদেশীয় প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি হতে উদ্ভুত।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, জনশুমারি-২০২২।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন