পুঁথি সাহিত্যের আদিকবি হিসেবে কাকে গণ্য করা হয়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ফকির গরিবুল্লাহ
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ফকির গরিবুল্লাহ
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
মনসা দেবীকে নিয়ে বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কি?
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• পুঁথি সাহিত্যের আদিকবি- ফকির গরিবুল্লাহ।
----------
• পুঁথি সাহিত্য:
- পুঁথি সাহিত্য মূলত আঠারো ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে মুসলিম সমাজে প্রচলিত এক বিশেষ ধরনের কাব্য বা আখ্যান।
- এটি মূলত ছাপাখানা আবিষ্কারের আগে হাতে লেখা ধর্মীয়, ঐতিহাসিক বা রোমান্টিক কাহিনির জন্য ব্যবহৃত হত।
- এবং কখনও কখনও ‘দোভাষী-পুঁথি’ নামে পরিচিত।
- এই সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো—
- ইউসুফ-জুলেখা, সয়ফুলমুলক বদিউজ্জামান, লাইলি-মজনু ইত্যাদি।
• ফকির গরিবুল্লাহ:
- পুঁথি সাহিত্য রচয়িতাদের বলা হয় শায়ের কবি।
- এ ধারার আদিকবি হিসেবে গণ্য করা হয় ফকির গরিবুল্লাহকে ।
- আঠারো শতকের বাংলা সাহিত্যে ফকির গরীবুল্লাহকে দোভাষী পুঁথি সাহিত্য নির্মাতা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- তিনি একাধারে সাধক ও কবি ছিলেন।
- তার রচনায় ইসলাম ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধার মনোভাবও প্রতিফলিত হয়েছে।
- তিনিই প্রথম কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, ভুরসুট ও মান্দারণের অশিক্ষিত ও অল্প শিক্ষিত মুসলিম জনগণের দৈনন্দিন ভাষার সঙ্গে আরবি, ফারসি, উর্দু ও হিন্দি শব্দের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে এক ভিন্নধারার কাব্যরীতি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটিই পরবর্তীতে দোভাষী পুঁথি নামে পরিচিত হয়।
- উনিশ শতক পর্যন্ত বহু কবি এই রীতিতে কাব্য রচনা করেছেন।
- উল্লেখযোগ্য যে, ফকির গরীবুল্লাহর প্রথম কাব্যখানি শুদ্ধ বাংলা ভাষায় রচিত।
উৎস:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম;
বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন