দেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘোড়াশাল–পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘোড়াশাল–পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দেশের বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল–পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি বাংলাদেশের নরসিংদী জেলায় অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে এখানে দুটি বড় ইউনিট স্থাপন করা হয়।
- ১৯৭০ সালে পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড স্থাপিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেট্রিক টন উৎপাদন সক্ষম পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা চালু করা হয়।
- ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর এ আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব সার কারখানার উদ্বোধন করা হয়।
- নতুন এই কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- এতে জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ক্যাপচার প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়।
- এই প্রকল্প দেশীয় ইউরিয়া উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখে।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট ও পত্রিকার রিপোর্ট।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন