ভাববাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই কোন পুরুষে ব্যবহৃত হয়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: নাম পুরুষ
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: নাম পুরুষ
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
রুখের তেন্তলি কুমীরে খাই’- এর অর্থ কি?
চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥” এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• ভাববাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই নাম পুরুষে ব্যবহৃত হয়;
--------
• ভাববাচ্য:
- যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
- ভাববাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই নাম পুরুষের হয়।
- কারণ এতে কর্তার পরিবর্তে কাজের ভাব বা অবস্থা প্রধান হয়ে ওঠে।
- ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয়া বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
- যেমন-
ক) আমার (কর্তায় ষষ্ঠী) খাওয়া হলো না (নাম পুরুষের ক্রিয়া)।
খ) আমাকে (কর্তায় দ্বিতীয়া) এখন যেতে হবে (নাম পুরুষের ক্রিয়া)।
গ) তোমার দ্বারা (কর্তায় তৃতীয়) এ কাজ হবে না (নাম পুরুষের ক্রিয়া)।
---------
উল্লেখ্য,
- কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
- যেমন-
- এ পথে চলা যায় না।
- এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
- কোথা থেকে আসা হচ্ছে?
- আবার মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
- যেমন-
- এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না।
- এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
-------
অন্যদিকে,
- উত্তম পুরুষ — বক্তা নিজেকে বোঝায়, ভাববাচ্যে ব্যবহৃত হয় না।
- মধ্যম পুরুষ — শ্রোতাকে বোঝায়, এটি ভাববাচ্যের জন্য প্রযোজ্য নয়
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন