ফকির আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন কে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মজনু শাহ
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মজনু শাহ
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
’বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?
বলাকা, কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী ও প্রতিভা ইত্যাদি গমের জাত।
সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন:
- বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন ছিল ব্রিটিশবিরোধী।
- পলাশি যুদ্ধের ১৫–২০ বছর পর এই আন্দোলন শুরু হয়।
- ফকির-সন্ন্যাসীরা মূলত ভিক্ষাবৃত্তি বা মুষ্টি সংগ্রহের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করত।
- ধর্মীয় উৎসব ও তীর্থস্থান দর্শনের জন্য তারা সারা বছর এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভ্রমণ করত।
- নিরাপত্তার জন্য তাদের সঙ্গে হালকা অস্ত্রও থাকত।
- বাংলায় ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার আগে তারা স্বাধীন ও মুক্ত ছিল।
- ইংরেজ সরকার তাদের চলাফেরায় বাধা সৃষ্টি করতে থাকে।
- তীর্থস্থান দর্শনের ওপর কর আরোপ করে এবং ভিক্ষা/মুষ্টি সংগ্রহকে বেআইনি ঘোষণা করে।
- ফকির-সন্ন্যাসীদের ডাকাত-দস্যু বলে আখ্যায়িত করা হতো।
- এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা ইংরেজদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনে নেমে পড়ে।
- ফকির দলের নেতার নাম: মজনু শাহ।
- সন্ন্যাসীদের নেতার নাম: ভবানী পাঠক।
- তাদের মূল লক্ষ্য ছিল সরকারি কুঠি, জমিদারদের কাছারি ও নায়েব-গোমস্তার বাড়ি আক্রমণ।
- ১৭৬০ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ সালে মজনু শাহ উত্তর বাংলায় ইংরেজবিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭–১৭৮৬ সালে রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহে মজনু শাহ বহু সংঘর্ষে লিপ্ত হন।
- তাঁর যুদ্ধকৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি: অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া।
- ইংরেজরা তাকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করতে পারেননি।
- ১৭৮৭ সালে মজনু শাহ মৃত্যুবরণ করলে নেতৃত্ব নেন: মুসা শাহ, সোবান শাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- এই নেতারা কয়েক বছর ইংরেজ প্রশাসনকে ব্যস্ত রাখেন।
- ১৮০০ সালে ফকিররা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
- সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ভবানী পাঠক ১৭৮৭ সালে লেফটেন্যান্ট ব্রেনানের নেতৃত্বে একদল ব্রিটিশ সৈন্যের আক্রমণে নিহত হন।
- ভবানী পাঠকের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সন্ন্যাসী আন্দোলনের অবসান ঘটে।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
রেফারেন্স মাত্র
সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের আরও প্রশ্ন