বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন কবে প্রণয়ন করা হয়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ১৯৮০ সালে
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
- বাংলাদেশে যৌতুক প্রথা বন্ধ করার উদ্দেশ্যে ১৯৮০ সালে যৌতুক নিরোধ আইন প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইন অনুযায়ী যৌতুক প্রদান বা গ্রহণ করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- এ অপরাধে সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড একসঙ্গে দেওয়া যেতে পারে।
- যদি কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কনে বা বরের পিতামাতা কিংবা অভিভাবকের নিকট যৌতুক দাবি করে, তাহলেও একই শাস্তির বিধান প্রযোজ্য হয়। যৌতুক আদান-প্রদানে সহায়তাকারী ব্যক্তিও একই শাস্তি ভোগ করবে।
- পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে এই আইন সংশোধন করা হয়। সংশোধিত আইনে যৌতুক প্রদান বা গ্রহণের শাস্তি আরও কঠোর করা হয়। এ অনুযায়ী অপরাধী সর্বনিম্ন ১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
- এছাড়া ১৯৮৩ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের বিধান অনুযায়ী, যৌতুকের কারণে কোনো নারীর মৃত্যু ঘটালে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করলে অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে। নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া এবং যৌতুক গ্রহণের ক্ষেত্রেও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
- যৌতুক প্রথা বাংলাদেশের পরিবার ও সমাজ জীবনে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি করেছে।
- এ কুপ্রথা থেকে মুক্তি পেতে হলে সর্বপ্রথম পরিবারকে সচেতন করতে হবে এবং যৌতুক দেওয়া ও নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
- কন্যাসন্তানসহ সবাইকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। নারীরা আত্মনির্ভরশীল হলে যৌতুকের অভিশাপ তাদের স্পর্শ করতে পারবে না।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়-৭ম শ্রেণি।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন