• মেডিসিন বা ফিজিওলজিতে ২০২৪ সালের নোবেল পুরস্কার:
- মেডিসিন বা ফিজিওলজিতে ২০২৪ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন ভিক্টর অ্যামব্রোস এবং গ্যারি রুভকুন। মাইক্রোআরএনএর আবিষ্কার এবং এটি কিভাবে পোষ্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে তা নিয়ে - তাঁদের কাজের জন্য এই পুরস্কারটি প্রদান করা হয়েছে।
- পুরস্কারের উদ্দেশ্য: মাইক্রোআরএনএ এবং এর জিন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকার জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন।বিজ্ঞানীর পরিচয়:
- ভিক্টর অ্যামব্রোস: তিনি ১৯৫৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং বর্তমানে UMass Chan Medical School-এর সাথে যুক্ত আছেন।
- গ্যারি রুভকুন: তিনি হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের অধ্যাপক এবং ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালে গবেষক।
- গবেষণার পটভূমি: তাঁদের গবেষণা একটি ছোট গোলাকার কৃমি, Caenorhabditis elegans (C. elegans), নিয়ে হয়েছিল, যা জিন উন্নয়ন এবং নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোআরএনএর আবিষ্কার: তাঁরা ১৯৯৩ সালে lin-4 এবং lin-14 জিনের মধ্যে সম্পর্ক আবিষ্কার করেন, যা মাইক্রোআরএনএর অস্তিত্ব নির্দেশ করে। এটি কীভাবে অন্যান্য জিনের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে তা তাঁরা দেখান।
- গবেষণার গুরুত্ব: এই আবিষ্কারটি প্রাণীজগতের জিন নিয়ন্ত্রণের একটি নতুন মৌলিক ধারণার উদ্ভাবন করেছে। বর্তমানে মানুষের জিনোমে ১,০০০ এর বেশি মাইক্রোআরএনএ কোড রয়েছে।
- স্বাস্থ্য ও চিকিৎসায় প্রভাব: যদিও এখনো এই আবিষ্কারের সরাসরি চিকিৎসার ব্যবহার নেই, কিন্তু মাইক্রোআরএনএ প্রযুক্তি ভবিষ্যতে ক্যান্সার, হৃদরোগ এবং অন্যান্য রোগের ভ্যাকসিনের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে।
- অন্য পুরস্কার: ২০২৩ সালে কাতালিন কারিকো এবং ড্রু ওয়েইসম্যানকে মেসেঞ্জার আরএনএ প্রযুক্তির জন্য নোবেল মেডিসিন পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল, যা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দ্রুত উন্নয়নে সহায়ক ছিল।
- এই আবিষ্কারগুলি জীববিজ্ঞানের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে এবং আমাদের শরীরের জিন নিয়ন্ত্রণের সিস্টেমের বিশাল জটিলতা সম্পর্কে নতুন ধারণা প্রদান করেছে।
সূত্র:
nobelprize.org/prizes/medicine [লিংক]