মেধাবী
Toggle menu

'জে ০৪১০-০১৩৯' কী?

সঠিক উত্তর
কৃষ্ণগহ্বর

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

কৃষ্ণগহ্বর (Black hole):
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণগহ্বর (Black hole)।
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর শব্দটি ব্যবহার করেন।
- পৃথিবী থেকে ১ হাজার ২৯০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে থাকা এক সুপার ম্যাসিভ বা বড় আকারের কৃষ্ণগহ্বর হচ্ছে জে০৪১০-০১৩৯।
- কৃষ্ণগহ্বরটির ভর প্রায় ৭০ কোটি সূর্যের সমান।

সম্প্রতি,
- এই কৃষ্ণগহ্বর (ব্ল্যাকহোল) থেকে অতি শক্তিশালী রশ্মি সরাসরি আমাদের পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।
- বিগ ব্যাং বিস্ফোরণের প্রায় ১০ কোটি বছর পর এই রশ্মি নির্গত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- বড় আকারের কৃষ্ণগহ্বরটি মহাবিশ্বের প্রথম সময়কার তথ্যাদি জানতে সহায়তা করবে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

গ্রহ
উপগ্রহ
কৃষ্ণগহ্বর সঠিক
মহাকাশযান

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
সাম্প্রতিক বিষয়াবলি
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড