• ভূমিকম্প: - ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়। - ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র (Centre বা Focus) বলা হয়। - কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ-পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে, তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলা হয়। - কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে। - ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে। - ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।
• ভূমিকম্প নির্ণয় যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার। - ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে। - এই রিখটার স্কেলে এক মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে তার শক্তি ৩১গুন বেড়ে যাওয়া। - রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প আমরা অনুভব করতে পারি।
⇒ ভূমিকম্পের প্রধান কারণ: - পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত। - এইপ্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে। - আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।
⇒ ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ: - শিলাচ্যুতি, - ভূগর্ভস্থ বাষ্প, - তাপ বিকিরণ, - ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস, - হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।
উৎস: i) ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ii) Britannica.